
শাহজাদপুর সংবাদ ডটকম :- হাঠাৎ করেই একটি পত্রিকার প্রকাশিত অনলাইনে শিলাবৃষ্টির একটি খবরের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ হলো। ছবিতে শিলের বৃহদ আকার ও তার ওজন দেখে অনেকটাই চমকিত হতে হয়েছে ইতোমধ্যে।জন্মের ৬৩ বছর অতিক্রান্ত করেছি, অনেক সময় নানা কারনে শিলাবৃষ্টিতে পড়তে হয়েছে। শিলাবৃষ্টির মাঝে আমও কুড়িযেছি। কিন্তু কখনো এত বৃহদ আকারের শিলাবৃষ্টি কথা এখনও স্বরণ করতে পারছি না।হয়তো পৃথিবীর কোথাও কোথাও এমনকি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে দৈবাদ এ ধরনের শিলাবৃষ্টি হতে পারে তবে আমার জানা নেই। এটাই আমার আছে অনেকটাই প্রশ্নবোধক।এখন যখনই আকাশে কালেমেঘ জমে তখনই ভয় হয় অশুভ কিছু ঘটছে কিনা।শিলাবৃষ্টির সাথে সাথে ব্রজ্রপাতও যেন একটা ভয়ঙ্কর রূপ নিছেয়ে।বজ্রপাতে প্রতিনিয়ত মানুষের মৃত্যু ঘটছে।খবরের পাতা খুললেই সেটি চোখে পড়ছে। যখন বজ্রপাত ঘটছে মনে হছে আকাশটা যেন অনেকটাই কাছে নেমে এসেছে। বজ্রপাতটাও যেন খুব কাছ থেকে ঘটছে। ভয়ঙ্কর শব্দের ঐ বজ্রপাতগুলো যেন প্রতিমূহুর্তে মৃত্যুর সংকেত দিচ্ছে।। বিজ্ঞান আমাদের জ্ঞানগর্ভকে আনেকটাই বিকশিত করেছে।মানবিক কল্যাণে বিজ্ঞানের যৌক্তিক ব্যাখ্য আক্ষরিক জ্ঞান মানবসভ্যতাকে অনেকদূর নিয়ে এসেছে।তবে একদিকে বিজ্ঞানের জ্ঞানগর্ভের প্রায়গিক সততা পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে যতটুকু এগিয়ে নিয়ে এসেছে পাশাপাশি বিজ্ঞানের জ্ঞানগর্ভের প্রায়গিক শঠতা মানব সভ্যতাকে রক্ষার ক্ষেত্রে তার চেয়ে অনেকগুন পিছনে ঠেলে দিয়েছে।আধুনিক বিশ্বের শিল্পবর্য্য, মানবসৃষ্ট বর্য্য, বিভিন্ন জ্বালাণি ব্যবহৃত সৃষ্ট কার্বণ প্রতিনিয়ত আমাদের জ্বলবায়ুকে দূষণ করে চলেছে মাত্রাহীন ভাবে।শুধু লাভের অঙ্ক গুনতে গুনতে মানব সভ্যতা ক্রমন্বয়ে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলেছে। এ ধরনের শিলাবৃষ্টি আমাদেরকে অশণি সংকেত দিয়ে বারবার সে কথাটাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
খবরে জানাযায়, গত ৫ এপ্রিল রোববার রাতে ঝড় এবং শিলা পড়ে হাজার হাজার একর জমির ফসলাদি নষ্ট হয়েছে এবং ,ঘরবাড়ি,গাছপালা ভেঙে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার বেশকয়েকটি গ্রাম। রোববার রাত ৩টার দিকে এই কাল বৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এক ঘন্টার বেশি স্থায়ী এ ঝড় এবং বৃষ্টি শেষে মেঘের ভয়াবহ গর্জনের সাথে শিলা পড়তে থাকে। তবে সেখানে যে শিলাগুলো পড়ে সচরাচর আমরা যেসব শিলা দেখি তা থেকে আকারে বেশ বড়। একেকটির ওজন কমপক্ষে তিন কেজি। সকাল ৮টা পর্যন্ত এলাকার সর্বত্র শিলা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সদর উপজেলার উজানগ্রাম, আব্দালপুর, আলামপুর, আইলচারা ও ঝাউদিয়া উনিয়নের ৩ টির বেশি গ্রাম, মিরপুর উপজেলার হালসা, আমবাড়িয়া, কুর্শা, ছাতিয়ান এবং কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ও পান্টি ইউনিয়ন এলাকার অধিকাংশ গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যায় এই কাল বৈশাখী। ঘন্টাব্যাপী এই কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী শিলাবৃষ্টি হয়। এতে হাজার হাজার বাড়ী ঘর, গাছপালা ও মাঠের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসব এলাকায় বিদ্যুৎতের খুটি উপড়ে পড়াসহ তার ছিড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ
সিরাজগঞ্জ জেলার সংবাদ
সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ ঔষধ রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের লক্ষ টাকা অর্থদন্ড
সিরাজগঞ্জ জেলার সিরাজগঞ্জ সদরের শিয়ালকোল বাজার এবং সলঙ্গা থানার অন্তর্গত হাটিকুমরুল নামক স্থানে এ অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্...
শাহজাদপুর
শাহজাদপুরে অপরিকল্পিতভাবে পাশাপাশি দুইটি সেতু নির্মাণে সরকারের বিপুল অর্থ অপচয়
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের হলদার পাড়া থেকে ছোটমহারাজপুর পর্যন্ত মাত্র ১৫০ মিটার সংযোগ সড়কে পূর্বের এক...
অপরাধ
ত্রাণ আত্মসাৎ, চেয়ারম্যানের বাড়ি ঘেরাও করে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ
অনলাইনডেস্কঃ করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া সুবিধাবঞ্চিতদের নামে বরাদ্দকৃত সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সিরাজ...
জাতীয়
ডুবে যাওয়া লঞ্চে নৌমন্ত্রীর ৩ ভাগনি ছিলেন!
রফিক মোল্লা: সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার আজগরা গ্রামে শিকারির কাজে ব্যবহৃত মুল ডাহুক সহ চারটি ডাহুক পাখি উদ্ধার করা হয়েছ...
পড়াশোনা
এসএসসিতে অকৃতকার্যরা যা করতে পারেন
ফটোগ্যালারী
এনায়েতপুরে ৪টি ডাহুক পাখি উদ্ধার
